বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন নির্ধারিত দাম খুচরা পর্যায়ে ঠিকভাবে মানা হবে কি না সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, “ঘোষিত দাম যে খুচরা পর্যায়ে মানা হবে, সে বিষয়ে নিঃসন্দেহে নিশ্চয়তা দিতে পারব না। তবে অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে জালাল আহমেদ জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “ভোক্তার ডিজির সঙ্গে আমি নিজে কথা বলেছি, অভিযান বাড়ানোর জন্য। উৎপাদক পর্যায়ে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
চেয়ারম্যান আরও জানান, উৎপাদকরা বিইআরসি নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি করছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সাপ্লাই সাইডে কিছু সমস্যা ও ঘাটতি রয়েছে।
এর আগে বিইআরসি জানায়, জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বৃদ্ধি করে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

