আজ রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। দেশ-বিদেশের গণ্যমান্য কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এতে অংশগ্রহণ করেন।
কূটনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফিলিস্তিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, ভারত, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভ্যাটিকান সিটি, ইরান, ব্রুনাই দারুসসালাম, মালদ্বীপ, আলজেরিয়া, কসোভো, মিশর, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, নেপাল, ফিলিপাইন, নেদারল্যান্ডস, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া প্রমুখ দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনওডিসি, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, আইওএম-সহ অন্যান্য বিদেশি সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ।
জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাবেক এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, আবদুর রব, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি উপস্থিত কূটনীতিকবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ ও সম্মানিত অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক সম্পর্কের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে আরও ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ন্যায়ভিত্তিক অবস্থান এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা মানুষকে সংযম, সহমর্মিতা, ন্যায়বোধ ও মানবকল্যাণের দিকে আহ্বান জানায়। এ মূল্যবোধ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করা গেলে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। তিনি দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং সমগ্র বিশ্বমানবতার শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পরিশেষে মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

