Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

দিনাজপুরে মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার লড়াই

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
১২:৫৮ pm ০৭, এপ্রিল ২০২৬
in Semi Lead News, সারাদেশ
A A
0

সুলতান মাহমুদ, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর শহরের মহারাজা স্কুল সংলগ্ন একটি ছোট্ট দোকান। চারপাশে সাজানো মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পান্তা ভাতের থালা-বাটি, পুতুল, হাতি-ঘোড়া, মাটির ব্যাংক—গ্রামবাংলার এক চিরচেনা আবহ যেন এখানে থমকে আছে। দোকানের ভেতর বসে আছেন প্রায় পঞ্চাশোর্ধ্ব দিলীপ কুমার পাল। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এই মৃৎশিল্পের ব্যবসাই তার জীবনের অবলম্বন।

পহেলা বৈশাখ এলেই দোকানে একটু ভিড় বাড়ে—কিন্তু সেই ভিড় আর আগের মতো নেই। দিলীপ কুমার পালের কণ্ঠে আক্ষেপ, “এক সময় এই দোকানে দাঁড়ানোর জায়গা থাকত না। এখন বিশেষ দিন ছাড়া বিক্রিই হয় না। তারপরও পৈতৃক ব্যবসা বলে ছেড়ে যেতে পারছি না।

দিলীপের মতোই একই পেশায় রয়েছেন তার চাচাতো ভাই সুরেন্দ্রনাথ পালসহ আরও দুই-তিনটি পরিবার। একসময় এক পয়সা, দুই পয়সায় বিক্রি হওয়া মাটির জিনিস এখন ১০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও ক্রেতা কমে গেছে অনেক। আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিক ও স্টিলের জিনিসপত্রের ভিড়ে মাটির ব্যবহার দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

দোকানের একপাশে বসে আছেন সাবিত্রী রানী। ছেলের সঙ্গে তিনিও বিক্রিতে সহায়তা করেন। তিনি বলেন, “আগে মানুষ দল বেঁধে আসত। এখন দু-একজন আসে, তাও অনেক দরদাম করে। মাটির জিনিসের সেই কদর আর নেই।
তবে বৈশাখ এলেই কিছুটা আশার আলো দেখা যায়। গ্রামগঞ্জে বসা মেলা ঘিরে বাড়ে মাটির পণ্যের চাহিদা। বিভিন্ন মেলায় শোকেসে রাখার জন্য আম, কাঁঠাল, কমলা, আপেলসহ নানা ফলের প্রতিকৃতি, পাশাপাশি হাতি-ঘোড়া, গরু-বিড়ালের মাটির তৈরি আকৃতি বিক্রির জন্য সংগ্রহ করেন অনেকেই।

মৌসুমি ব্যবসায়ী মহেন্দ্রনাথ এসেছেন দিনাজপুরের রাজবাটি এলাকা থেকে। সামনে চৈত্রসংক্রান্তির মেলা। তিনি বলেন, “মেলায় কিছু বিক্রি করতে পারব এই আশায় এখানে এসেছি। এখন সবচেয়ে বেশি চলে মাটির ব্যাংক—ছোট বাচ্চাদের পছন্দের জিনিস।

বিরলের মুকুল রায়ও একই উদ্দেশ্যে এসেছেন। তিনি জানান, গ্রামে মেলা বসবে, তাই কিছু মাটির পুতুল, হাঁড়ি-পাতিল কিনছি। লাভ হবে কিনা জানি না, তবে চেষ্টা করছি।

মৃৎশিল্পের এই সংকটের কথা স্বীকার করেছেন দিনাজপুর পৌরসভার প্রশাসক রিয়াজ উদ্দিন। তিনি বলেন, “পাল পরিবারের এই শিল্প আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক। কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি হারিয়ে যেতে বসেছে। আমরা চাই আধুনিকতার পাশাপাশি এই ঐতিহ্য টিকে থাকুক। এজন্য শিল্পীদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরো বলেন, দিনাজপুরের এই ছোট্ট দোকান যেন বৃহত্তর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে একদিকে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগোচ্ছে আধুনিকতা, অন্যদিকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘ্রাণমাখা সেই প্রাচীন শিল্প। তবুও কিছু মানুষ এখনও আঁকড়ে ধরে আছেন তাদের শেকড়—এই আশায়, হয়তো কোনো এক বৈশাখে আবার ফিরবে মাটির জিনিসের সেই হারানো চাহিদা।

 

Tags: কুমার পরিবারগ্রামবাংলার ঐতিহ্যচৈত্রসংক্রান্তিদিনাজপুরবাংলাদেশ ঐতিহ্যবৈশাখ মেলামাটির জিনিসমৃৎশিল্পসংস্কৃতিস্থানীয় ব্যবসা
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • মার্কিন সেনার দাবি: ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস
  • শরণখোলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা
  • আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন ভোলার জামায়াত নেত্রী সাওদা সুমি
  • মানিকগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন আব্দুল হালিম শাওন
  • নওগাঁ ৪ আসনের এমপির বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন, থানা বিএনপি নেতার বহিষ্কার দাবি

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম