জুলাই মাসে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া গণ–অভ্যুত্থানের সময়ের এক হঠাৎ ও নৃশংস ঘটনার তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। রাজধানীর সূত্রাপুর থানা এলাকায় শিক্ষার্থী নাদিমুল হাসান এলেম, যিনি এলেম আল ফায়দি নামেও পরিচিত, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার কবি নজরুল কলেজের সামনের সড়কে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি দমন। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, যে সময়ে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, সেই ঘটনায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিআইডির ইন্সপেক্টর নিজাম উদ্দিন আহাম্মেদ ১৬ ফেব্রুয়ারি আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আনিসুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। আদালত শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে, আনিসুল হকসহ মামলার অন্যান্য আসামিরা ওই সময়ে আন্দোলন দমনের জন্য নির্বিচারে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশের কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো হয় এবং এর ফলশ্রুতিতে এলেম আল ফায়দি নিহত হন। ঘটনার এই নতুন মোড়, তরুণ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পেছনের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিচার নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

