কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানা এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি জাহিদ হাসান (২৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত জাহিদ হাসান ধরিয়ারপাড় এলাকার আহাম্মদ আলীর ছেলে। ভিকটিম আলপনা খাতুন (২৩) কচাকাটা এলাকার কাইম টেপার কুটি এলাকার আমজাদ হোসেনের মেয়ে।
থানা সুত্রে জানা যায়, গত ২২ মার্চ রাত ৮টার দিকে জাহিদ হাসান মোবাইল ফোনে ডেকে তরুণীকে নাগেশ্বরীর আনন্দ বাজার এলাকায় নিয়ে আসে। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে চর লুছনি গ্রামে নিয়ে যায়।
পরদিন ২৩ মার্চ রাত প্রায় ১১টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার কথা বলে দুধকুমার নদীর ধারের আয়নালের ঘাট সংলগ্ন চরাঞ্চলের একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জাহিদ হাসানসহ বাবু মিয়া ওরফে আকাশ (২২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজন মিলে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর আসামিরা ভিকটিমকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফেরার পথে নাগেশ্বরীর জুব্বার মোড় এলাকায় স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুল সালাম মিয়া তাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
পরদিন ২৪ মার্চ সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার পরিবার। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে কচাকাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-০৭) দায়ের করেন।
কচাকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অর্পন কুমার দাস জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
#

