Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

শেখ হাসিনার গড়া আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের আলোচিত যত রায়

Nuri JahanbyNuri Jahan
১২:৪৩ pm ১৭, নভেম্বর ২০২৫
in Top Lead News, আইন ও আদালত, জাতীয়
A A
0

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বাংলাদেশে ২০১০ সালের মার্চে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সবশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।

পুনর্গঠনের আগে ১৫ বছরের বেশি সময়ে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট ৫৭টি মামলার রায় দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল ছয়জনের।

এদের মধ্যে পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতা এবং একজন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা।

২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলোচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বেশ কয়েকবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী, আইনটিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, রায়কে ঘিরে স্কাইপ বিতর্ক এবং সাক্ষীদের নিয়ে বিতর্ক নানা ঘটনার জন্ম হয়েছিল সেসময়।

গত বছরের জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম মামলার রায় হতে যাচ্ছে আজ ১৭ নভেম্বর।

এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত গত এক বছরে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ১০টি। আর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্তত ৩৭টি মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত ১৫ বছরে বিভিন্ন সময়ে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলায়ও শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরে ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, তদন্ত সংস্থা এবং আইনজীবী প্যানেল গঠন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ঢাকায় পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ শুরু হয়। ট্রাইব্যুনাল গঠনের বছরই জুলাই মাসে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

শুরুর দিকে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে ২০১২ সালের মার্চে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে তৎকালীন সরকার। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বেশ কয়েকজন জামায়াতে ইসলামীর নেতার বিচার হয় ট্রাইব্যুনাল।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— আব্দুল কাদের মোল্লা, মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাশেম আলী, আবুল কালাম আজাদ, এ টি এম আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। এ ছাড়া বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে তদন্ত সংস্থা।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির নেতা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার, আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেনের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আপিল বিচারাধীন থাকায় কয়েকজন দণ্ডিত আসামি কারাগারে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন, যার মধ্যে জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযম অন্যতম, যিনি ৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছিলেন। সে সময়কার ৩০টি মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। এ ছাড়া ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা ৫০টিরও বেশি আপিল সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় জামায়াতে ইসলামীর রুকন আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ই ছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া প্রথম রায়। ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি ওই মামলার রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

কাদের মোল্লার রায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ২০১২ সালের মে মাসে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো অপরাধ প্রমাণিত হলে, ২০১৩ সালের পাঁচই ফেব্রুয়ারি তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে তার মৃত্যুদণ্ড না হওয়ায় শাহবাগে লাগাতার বিক্ষোভ হয়। শাহবাগের এই বিক্ষোভের স্থান সে সময় গণজাগরণ মঞ্চ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। সেসময় ১৯৭৩ সালের আইনে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের উচ্চতর আদালতে আপিল করার সুযোগ ছিল না। পরে বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন সরকার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিল, ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস করে।

এরপর ২০১৩ সালে তেসরা মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ কাদের মোল্লার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। একই সঙ্গে খালাস চেয়ে আপিল করেন কাদের মোল্লা। সেবছরের ১৭ সেপ্টেম্বর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে আপিল বিভাগ। পরে কাদের মোল্লার করা রিভিউ আবেদনও খারিজ করে দেওয়া হয়। পরে সেই বছরের ১২ ডিসেম্বর কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রায় চার দশক পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল প্রথম কারো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা।

মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড ২০১১ সালের ৪ জুন অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে কামারুজ্জামানের বিচার শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শেষে ২০১৩ সালের ৯ মে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এটি ছিল ট্রাইব্যুনালের চতুর্থ রায়।

সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি নিখোঁজ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা এক মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সাবেক সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে। পরে ২০১১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার শেষে, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে সাঈদী আপিল করেন। সেটি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া তৃতীয় রায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন তাকে। সাঈদী ২০২৩ সালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর পক্ষের একজন সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে ঘিরে সে সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ ২০১২ সালের পাঁচ নভেম্বর, সাক্ষ্য দিতে গেলে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকেই নিখোঁজ হন বালি। পরে তাকে ভারতে পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়।

পরে চলতি বছর—অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট বালি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইবুন্যালে প্রসিকিউশনের কাছে পাল্টা অভিযোগ দাখিল করেন। তাতে তিনি বলেন, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে গেলে সাদা পোশাকে থাকা ব্যক্তি ও পুলিশ তাকে পিকআপে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে বিজিবির সহায়তায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার অন্তর্গত বৈকারী বাজার সীমান্তে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গোলাম আযমের বিচার ২০১০ সালেই জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়। এক বছরের বেশি সময় ধরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তি-তর্ক চলে। পরে ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই তাকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছে, গোলাম আযমের অপরাধ বিবেচনায় তার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্য। কিন্তু বয়স বিবেচনায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে গোলাম আযম সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করলেও কারাগারে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ফলে আপিলটি অকার্যকর বা বাতিল হয়ে যায়।

আপিলে খালাসের প্রথম মামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের কোনো মামলায় এ টি এম আজহারুল ইসলামই প্রথম পুনর্বিবেচনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিলে খালাস পেয়েছেন।

মীর কাশেম আলীর মৃত্যুদণ্ড একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতা মীর কাশেম আলী ২০১২ সালের জুনে গ্রেপ্তার হন। পরের বছর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ২০১৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে সর্বোচ্চ আদালতেও তা বহাল থাকে। এরপর ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। ওই বছরই ৩ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড ও স্কাইপ কেলেঙ্কারি ২০১২ সালে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পরের বছর— অর্থাৎ ২০১৩ সালের পহেলা অক্টোবর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

মোট ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রধান বিরোধী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ছিলেন। তিনিই প্রথম কোনো বিএনপি নেতা, যার বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইবুনালে সাজার রায় ঘোষণা করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা যখন রায় ঘোষণা করছিলেন, তখন কাঠগড়ায় থাকা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওই রায় অনলাইনে ফাঁস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন। পরে তার পরিবারের সদস্যরাও বেশ কিছু নথি ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের দেখান, যেটি তারা রায়ের কপি বলে দাবি করেন। যদিও সে সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এবং প্রসিকিউশন পক্ষ এমন অভিযোগ নাকচ করে দেন। ট্রাইব্যুনালের রায় ফাঁসের এই ঘটনা ‘স্কাইপ কেলেঙ্কারি’ নামে বহুল পরিচিত।

তবে রায় ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং স্ত্রী ফারহাৎ কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ফাঁসি দেওয়ার প্রায় তিন মাস পর ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ওই দুইজনের বিচার শুরু হয়েছিল।

শেখ হাসিনার বিচার গত বছর জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পরে গত বছরের নভেম্বরে ট্রাইব্যুনাল আইনে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিনই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই সময় শেখ হাসিনাই মামলাটির একমাত্র আসামি ছিলেন। পরে এ বছরের মার্চে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক আইজিপিকে এ মামলায় আসামি করতে প্রসিকিউশনের করা আবেদন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল।

এ বছরের ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ এনে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। তিনি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ মামলায় পলাতক আসামি। বাকি দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সাবেক আইজিপি মামুন এ মামলার একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত আসামি। তিনি এই মামলায় অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ১৭ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

Tags: আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালজুলাই গণ-অভ্যুত্থানবাংলাদেশ
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • ভোট গণনায় কেউ সুযোগ নিতে চাইলে প্রতিরোধ করতে হবে: তারেক রহমান
  • আগামীকাল পবিত্র শবে বরাত
  • প্রবাসী আয়ে স্বস্তি, রিজার্ভ আবার ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
  • শেরপুরে নিহত জামায়াত নেতার কবর জিয়ারতে জামায়াত আমির

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম