সত্যজিৎ দাস, (মৌলভীবাজার প্রতিনিধি):
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের কালীঘাট রোডের একটি হোটেলের হলরুমে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আলী খান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান,তার বাবা ইয়াকুব আলী খান এবং ভোলানাথ গোসাই ও নিমচাঁদ গোসাইয়ের বাবা রাম শংকর গোসাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই তার বাবা রাম শংকর গোসাইয়ের কাছ থেকে একটি জমি ক্রয় করেন বলে তিনি দাবি করেন।
আলী খান বলেন,গত ৩০ ও ৩১ মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভোলানাথ গোসাই ও নিমচাঁদ গোসাই তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন,তার বাবার নামে ওই জমির বিদ্যুৎ বিল অতীতেও ছিল এবং এখনো রয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র তার কাছে সংরক্ষিত আছে।
তিনি আরও জানান,অতীতে বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ব্যবসায়ী মহলের মাধ্যমে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে একাধিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি হয় এবং ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ দুই লাখ টাকা জামানতের ভিত্তিতে চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়।
পরবর্তীতে বাবার ক্রয়কৃত জমির কাগজপত্র পাওয়ার পর তিনি আবারও বিষয়টি ব্যবসায়ী সমিতির কাছে উপস্থাপন করেন। তখন সমিতি ভোলানাথ গোসাই ও নিমচাঁদ গোসাইকে তিনবার নোটিশ দিলেও তারা কোনো বৈঠকে উপস্থিত হননি। পরে ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর দুই লাখ টাকার ওই চুক্তিপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। তবে তিনি দাবি করেন,এখনো পর্যন্ত ওই টাকার কোনো অংশ তিনি ফেরত পাননি।
আলী খান বলেন,সাম্প্রতিক সময়ে তিনি জানতে পেরেছেন যে জমিটির প্রকৃত মালিক গোপাল গোসাই। তার দাবি,রাম শংকর গোসাই এবং তার উত্তরাধিকারীরা জমিটির বৈধ মালিক নন। তিনি অভিযোগ করেন,রাম শংকর গোসাই জালিয়াতির মাধ্যমে তার বাবার কাছে জমিটি বিক্রি করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আলী খান সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বশীল মহলের কাছে সাহায্য কামনা করে বলেন,“আমি কীভাবে আমার সম্মান,আমার টাকা এবং আমার বাবার ক্রয়কৃত জমির ন্যায্য অধিকার ফিরে পাব-সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা চাই।”

