মোঃ আব্দুল কুদ্দুস,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
এক সপ্তাহ হলো সকাল থেকে দিনভর সূর্যের দেখাও মেলেনি। সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। গ্রামাঞ্চলে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। নিম্ন আয়ের লোকগুলো শীত বস্ত্র কেনার জন্য হাটে বাজারে শহরের ফুটপাতে ভিড় করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে সিরাজগঞ্জে শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বইছে। এক সপ্তাহ হলো ভোর রাত থেকে এই শীত, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাব বাড়ছে। এ কারণে শীতে কাঁপছে সিরাজগঞ্জের যমুনা পাড়ের মানুষ এবং চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের মানুষের অবস্থা এখন কাহিল। বিশেষ করে মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের সিগন্যালে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে সিরাজগঞ্জ জেলাশহরসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। এই শীতে গরিব ও অসহায় পরিবারের লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া কৃষকেরা মাঠে নামতেও হিমশিম খাচ্ছে। ইট ভাটা শ্রমিক আব্দুল মালেক ও সানোয়ার বলেন প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাঁচা ইট হাতে নিলে হাত অবস হয়ে আসছে।
এ জেলার বাঘাবাড়ি ও তাড়াশ আবহাওয়া অফিস থেকে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা উপজেলা শহরে জনসমাগমও অনেকটা কমে গেছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে শীত নিবারণের পুরাতন কাপড় সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে। এতে অসহায় পরিবারের লোকজন শীত নিবারণে-এ কাপড় কিনতে পারছে না। সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে এখনও শীত বস্ত্র বিতরণ তেমন শুরু হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

