সত্যজিৎ দাস:
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আংশিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে Bangladesh Weather Observation Team Ltd. (BWOT)। সংস্থাটির তথ্যমতে,এই শৈত্যপ্রবাহ দেশের সব জেলায় নয়,নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে সক্রিয় থাকবে। শৈত্যপ্রবাহের নাম ‘কনকন’ দিয়েছে BWOT.
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বহু এলাকায়। কোথাও কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকা শহর ও দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ সক্রিয় না হলেও তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে,যা শীতল আবহাওয়া তৈরি করবে।
৩১ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা বাড়তে পারে, কুয়াশার দাপট শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
BWOT জানিয়েছে,আংশিক শৈত্যপ্রবাহটি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৭ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ধাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা। রংপুর,ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ফরিদপুর,গোপালগঞ্জ,রাজবাড়ী,টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ,কুমিল্লা ও চাঁদপুর। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকা।
সক্রিয় নয়: ঢাকা শহর, উপকূলীয় অঞ্চল, কক্সবাজার,বান্দরবান ও চট্টগ্রাম নগরী।
৬-৮° সেলসিয়াস: চুয়াডাঙ্গা,মেহেরপুর,কুষ্টিয়া, রাজশাহী,নওগাঁ,পাবনা,বগুড়া,যশোর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
৭-৯° সেলসিয়াস: দিনাজপুর,রংপুর,নীলফামারী, কুড়িগ্রাম,পঞ্চগড়,ময়মনসিংহ ও সিরাজগঞ্জ।
৯-১০° সেলসিয়াস: খুলনা,সাতক্ষীরা,বরিশাল, সিলেট,কুমিল্লা,কিশোরগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল।
শৈত্যপ্রবাহ শুরুর প্রথম ২ থেকে ৩ দিন কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকতে পারে,বিশেষ করে নদী অববাহিকায়। পরবর্তী সময়ে কুয়াশা কমে গিয়ে দিনের বেলায় রোদ দেখা যেতে পারে। এই সময়কালে দেশের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। প্রাকৃতিক কারণে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা ও সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

