গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ফুল দিয়ে রাশেদ খাঁনকে বিএনপিতে স্বাগত জানান। এ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ–৪ সংসদীয় আসনটি রাশেদ খাঁনের জন্য ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ওই আসন থেকেই তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিএনপিতে যোগদানের আগে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাশেদ খাঁন। পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহযোদ্ধা হিসেবে একসঙ্গে পথচলার কথা তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
পদত্যাগপত্রে রাশেদ খাঁন লেখেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তার কোনো আচরণ বা বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। একই সঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে সম্মতি দেওয়ায় দলের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন হলেও পারস্পরিক সম্পর্ক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং দল ও নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাশেদ খাঁনের বিএনপিতে যোগদান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

