এল. মোহাম্মদ :শেরপুর
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গোল্লাপাড় গ্রামে এক রিকশা চালকের মেয়ে বিয়ের দাবী নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, হতদরিদ্র রিকসা চালক আজিজুরের মেয়ে লিপি খাতুন (১৬)কে একই গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে আল আমিন ( ২০) প্রেমের সম্পর্ক করে গত শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর রাত অনুমান ৯ টার দিকে লিপিকে আল-আমীন ও তার বন্ধু মিলে পালিয়ে গিয়ে বিয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে। আল-আমীনের বাড়িপাশে বাগানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে আল আমিন লিপিকে ধর্ষন করার চেষ্টা করে। ধর্ষণ না করতে পেয়ে আল আমিন তার বাড়িতে ডুকে পরে। লিপি খাতুন তার পেছনে পেছনে আল-আমিনের বাড়িতে চলে যায়। ঐ রাত লিপি খাতুন আল -আমিনের বাড়িতে রাত্রিযাপন করে।
পরে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে লিপিকে তার নানার বাড়ি রেখে আসে। পরে ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে গ্রামবাসী এ বিষয়ে বৈঠকে বসে। বৈঠকে গ্রামের মাতাব্বর গন আল আল আমিনকে এই অপরাধে দোষী সাবস্থ্য করে, কানধরে উঠবস করায়। এবং লিপির পরিবারকে কিছু অর্থ দিয়ে মিমাংসার প্রস্তাব দেয়।
এতে লিপি খাতুন রাজি না হয়ে বিয়ের দাবী ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করার অভিযোগ করেন। এবং আল আমিনের বাড়িতে অবস্থান করতে থাকে। এ সময় আল আমিন আত্মগোপনে রয়েছে। লিপি বেগমের পরিবারের খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, তার বাবা একজন রিকশা চালক,আরও দুই ভাইবোন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি। আল আমিনের মা পারুল বেগম ঘটনার কথা স্বীকার করে জানান,ওদের পরিবারের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক করা সম্ভব না।

