সব অনিশ্চিয়তার ইতি টেনে দীর্ঘ সতের বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে উদ্দেশে রওনা দিতে লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের দিকে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার রাত বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে বাসা থেকে রওনা হয়ে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন।
লন্ডন বিএনপির এক নেতার ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, তারেক রহমান বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাকে বহনকারী গাড়ির সামনে পিছনে তিনটি গাড়ি দেখা যায়। বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমানসহ পরিবারের পাঁচজনকে নিয়ে তিনি লন্ডন ছাড়বেন বলে জানা গেছে।
লন্ডন থেকে সরাসরি সিলেটে আসবেন। এরপর আগামীকাল বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অভ্যর্থনা জানাবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বিমানবন্দরের রজনীগন্ধা লাউঞ্জে ২০ মিনিটের অবস্থান করবেন তারেক রহমান। সেখানে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কৌশল বিনিময় শেষে এরপর সড়ক পথে এভারকেয়ার হাসপাতালে উদ্দেশ্য রওনা করবেন।
এ সময় রাস্তার দুপাশে লাখ নেতাকর্মী তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। এভারকেয়ারে যাওয়ার পথে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেস ওয়ে (৩০০ ফুট) সড়কে তিনি সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি দেশবাসীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। এরপর তিনি চলে যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মাকে (বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া) দেখতে। সেখান মায়ের চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলবেন এবং মায়ের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেবেন। সেখানে মায়ের সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর পর গুলশানের বাসার উদ্দেশে রওয়ানা হবেন তারেক রহমান। গুলশানে মায়ের বাসা ফিরোজা নাকি ১৯৬ নম্বর নিজের বাড়িতে উঠবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

