জাপানের একদল গবেষক এমন একটি নতুন পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন, যা মানুষের আয়ু প্রায় ২৫০ বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পদ্ধতিটি এখনও পরীক্ষার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি মূলত কোষের সুস্থতা বজায় রাখা, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হওয়া ক্ষতি কমানো এবং শরীরের অণুস্তরেই বার্ধক্যকে ধীর করার নীতির ওপর কাজ করে। সত্যিই কার্যকর প্রমাণিত হলে এটি বার্ধক্য রোধে মানব ইতিহাসের এক বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গবেষকেরা বলছেন, দীর্ঘায়ু বাড়ানোর লক্ষ্য শুধুমাত্র বেশি দিন বেঁচে থাকা নয়; বরং রোগমুক্ত, সুস্থ জীবন দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখাই প্রকৃত উদ্দেশ্য। তাই তারা এমন সব উপায় খুঁজছেন যা কোষ মেরামত দ্রুততর করে, শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে এবং দেহের পুনরুত্পাদন ক্ষমতা বাড়ায়। এসবের মাধ্যমে বয়সজনিত রোগ ও দুর্বলতা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গবেষণার দাবি এখনো খুব প্রাথমিক এবং মানবদেহে প্রয়োগের আগে কঠোর পরীক্ষা ও যাচাই প্রয়োজন। তবুও এই ঘোষণা বিশ্বব্যাপী আবারও দীর্ঘায়ু গবেষণাকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে এবং ভবিষ্যতে সুস্থতার মান বজায় রেখে মানুষের আয়ু বাড়ানোর সম্ভাবনা নতুনভাবে উজ্জীবিত করেছে।

