বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়াকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় দেশীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ব্যক্ত করে আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলকে গঠনমূলকভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
ইইউ তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্টে জানায়, “অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে আমরা সমর্থন করি।”
তারা আরও লিখেছে, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বকে আমরা স্বাগত জানাই।”
ইইউ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ ও আগামীর ধাপে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহ জানিয়েছে। তাদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা এগিয়ে নিতে সকল পক্ষের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।
অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির সময় এবং পরবর্তী ধাপেও বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে থাকবে।
ডব্লিউটিও’র উপমহাপরিচালক শিয়াংচেন ঝাং এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে আমরা কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাব। বর্তমানে বাংলাদেশ আমাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি থেকে উপকৃত হচ্ছে।”
তিনি জানান, উন্নয়নশীল অর্থনীতির বাণিজ্য সক্ষমতা জোরদারে ডব্লিউটিও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্ক (ইআইএফ)–এর অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী বাংলাদেশ। ঝাং বলেন, ইআইএফ এখন তৃতীয় ধাপে রূপান্তরিত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশ আরও পাঁচ বছর ইআইএফ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

