ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পে ৪৫ ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি চিহ্নিত করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এর মধ্যে সংকেত ও টেলিযোগাযোগে ১০টি, বৈদ্যুতিক কাজে ১৬টি, অবকাঠামোগত কাজে ১০টি এবং ট্রেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থায় ৯টি ত্রুটি পাওয়া গেছে।
ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করেনি, আর পরামর্শক সংস্থা তদারকিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে যাত্রীদের টিকিট স্ক্যান ব্যর্থ হওয়া, ট্রেনের দরজা সঠিক স্থানে না খোলা, স্টেশনে পানি ঢোকা ও বারবার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়া—এমন নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী, ঠিকাদারদের দেড় বছর পর্যন্ত ত্রুটি সারাতে হতো, কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই ডিএমটিসিএল চাইছে, আরও দুই বছর বিনা খরচে রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাক তারা।
ডিএমটিসিএলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, ত্রুটিগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে এবং ঠিকাদার ও পরামর্শককে সমস্যাগুলো সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত মেট্রোরেল প্রকল্পে এত ত্রুটি “অগ্রহণযোগ্য” এবং এর জন্য ঠিকাদার ও পরামর্শক উভয়কেই দায় নিতে হবে।

