জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:
৮-২-২৫ ফেব্রুয়ারি৷
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নে নুনুজ বাজার এলাকায় হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুড়াফেরা করছে। মামলা প্রত্যাহরের জন্য ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক নং আসামী ওয়ারেজ আলী (৫১) দলবল নিয়ে প্রকাশ্যে দিবালকে দেশিয় অস্ত্রদিয়ে উপজেলার নুনুজ বাজার এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম সোহাগের মোটরসাইকেল প্রতিরোধ করে রামদা, চাপাতি,লোহার রড ও লাঠি দিয়ে মেরে হাত,পা, বুকের পাজর এবং ডান পায়ের রগসহ হাড্ডি ভেঙে ফেলে।
এনিয়ে ওয়ারেজ আলী সহ ১৭ জনকে আসামী করে কালাই থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন ওই ভূক্তভোগী। এরপর ওই মামলার তিন মাস পার হলেও থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার না করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ইউপি সদস্য সোহাগ ও তার পরিবার৷
ওই মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলে গত ২৮ নভেম্বর আদালাত থেকে ৯-১৭ আসামির জামিন নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলামের ছোট ভাই মামলার বাদী আতিক৷ মামলা করার তিন মাস পার হললেও অজানা কারনে ১ থেকে ৮ নং আসামিদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছেনা পুলিশ, অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের।
১-৮ অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, ওয়ারেজ আলী (৫১) ফরিদুল ইসলাম (৩৪) মাজেদুল ইসলাম মিজু ( ৩৬) ওয়াদুত আলী মন্ডল (৫৫) হুমায়ন কবির (২৮) নায়ম (২৭) তন্ময় (১৬) সুজাউল মোর্শেদ (৩৪)।
ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম সোহাগ ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রায় দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসা নিয়ে অর্থ অভাবে বাড়ি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন৷
আমলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ূন আহমেদ তার ব্যবহৃত মুঠোফোন একাধিকবার ফোন করা হলেও তার ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি৷
এ বিষয়ে কালাই থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। আসামিদের ইচ্ছা করে পুলিশ ধরছে না এটি সঠিক না।