স্টাফ রিপোর্টার
আব্দুস সালাম মোল্লা
চরভদাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন ওউপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন মূলধারা মিডিয়া না নিয়ে বিতর্কিত মিডিয়া কর্মী নিয়ে বাঁধ উচ্ছেদ অভিযান করছে। এতে মূলধারা মিডিয়াকর্মীদেরওসুশীল সমাজের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সরজমিনে দেখা গেছে, ৬ই ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:০০ ঘটিকায় চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে উপজেলার সিনিয়ার সাংবাদিকরা দেখা করতে যান, তিনি সাংবাদিকদের জানান , বাঁধ উচ্ছেদ ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অভিযানে যাবেন। এ সময় সিনিয়র সাংবাদিকরা সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট সরকারি প্রোগ্রামে যাবেন বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানান।কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেদিকে কোন কর্ণপাত করেনি। বরং তিনি দাম্ভিকতার সুরে জানান, ডাঙ্গায় বসে জলের সংবাদ লেখা যায় বলে মন্তব্য করেন।
অপরদিকে উপজেলা মৎস্যকর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব কে ও জানান পদ্মা নদীতে সিনিয়র সাংবাদিকরা যাবেন বলে জানান। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব জানান জাটকা ইলিশ নিধনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাকে নিবে সেটা তার ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন ।
অপর দিকে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকায় উপজেলায় কৃষকদলের সভাপতি কামরুল হাসান ফিরোজ তার নেতৃত্বে কৃষক দলের নেতাকর্মীরা দেখা করতে যান তাদেরকেও মূল্যায়ন করেনি।
উপজেলায় বিএনপি ও জামাত ইসলামের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেনি বলে ক্ষোপ প্রকাশ করছেন অনেকেই।
উপজেলা পরিষদের দুইজন স্টাফ তাদের পছন্দ মাফিক আওয়ামী পন্থী সাংবাদিকদের কাছে খবর চলে যায় মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের খবর এতে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মসূচি সুফল পাচ্ছে না।এতে সো নিধনকারীদের কাছে খবর পৌঁছে যায়।
এই ঘটনায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব এ প্রতিবেদকে জানান উপজেলা প্রশাসন এখতিয়ার বাঁধ উচ্ছে ওনিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা অভিযানে কাকে নিবেন তার একতিয়ার ভ্রাম্যমান আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের। বিগত মা ইলিশ নিধনে চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন মিডিয়াকর্মীদের যেমন উল্লেখযোগ্য লেখালেখির অবদান রাখেছে তাদেরকে সংবাদ প্রচারে অগ্রাধিকারের কর্ণপাত করেননি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার অবগত আছেন মা ইলি সুরক্ষার অভিযানে এই সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সালাম মোল্লা লেখালেখির অবদানে রেখেছে তাকে সংবাদ প্রচারে গুরুত্ব না দিয়ে সেসব সাংবাদিকদের মাই ইলিশ রক্ষার অভিযানে ভূমিকা নেই সেসব সাংবাদিকদের নিয়ে উপজেলাপ্রশাসন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযান চলছে।
এ ব্যাপার চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুনএ প্রতিবেদক কে জানান, মৎস্য অধিদপ্তর একতিয়ার কাকে অভিযানে নিবেন। তিনি দাম্ভিকতায় আরও জানান, ডাঙ্গায় বসে জলের সংবাদ লেখা যায়।
নামদারী কিছু সাংবাদিক পূর্বের নির্বাহী অফিসারের ফ্রিজের জব্দ কৃত মাছ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ডান হস্তিতে মাদ্রাসা না দিয়ে ওই নামধারী অপসংবাদিক নিয়েছে। অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছে এমন কিছু বিতর্কিত সাংবাদিক নিয়ে অভিযান পরিচালনা করলে পূর্বের নেয় জব্দকৃত জাটকা ইলিশ নিজেদের ব্যাগ ভর্তি করবে।
ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার জানান, বিষয়টি দেখতেছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
এলাকাবাসীও সুশীল সমাজ উপজেলা মৎস্য অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমন কর্মকাণ্ডে মৎস্য সংরক্ষণ প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্ন তুলছেন ।