মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
মুক্তাগাছা উপজেলার ৮নং দাওগাও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসহযোগী
সংগঠনের ব্যানারে বৃহস্পতিবার বিকালে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের
কাঠবওলা খাসের বাজার মোড়ে সাবেক সভাপতি লতিফ মাস্টার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
সাইফুল মালেক শাহিন, রমজান ও মান্নানের উপর হামলা ও হত্যাচেষ্টা, বিএনপির নামে
চাঁদাবাজী, দখলদারিত্ব সহ আওয়ামী পূনর্বাসনের প্রতিবাদে সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি লতিফ
মাস্টারের নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আয়োজনে দুপক্ষের হাতাহাতির
ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিকাল গড়ানোর সাথে সাথে বিক্ষোভে লোক জড়ো হতে থাকে। এক
পর্য়ায়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ বিক্ষোভ মিছিলের ব্যানার নিয়ে
মিছিলে অংশ নিতে চাইলে বাধ সাধে লতিফ মাস্টারের লোকজন। ¯েøাগাণে ¯েøাগানে
এগোতে থাকা মিছিল থেকে মাওলানা লতিফকে বের করে দিতে চাইলে তিনি না সরলে আব্দুল
লতিফ মাস্টারের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে বের হয়ে মাওলানা লতিফ সহ তার সঙ্গীয়দের বের করে
দিলে হাতাহাতির সূত্রপাত হয়। পরে বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা লতিফ সে
স্থান থেকে চলে যায়। এরপর আব্দুল লতিফ মাস্টারের নেতৃত্বে লোকজন লাঠিসোঠা নিয়ে বিক্ষোভ
মিছিল করে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাওলানা লতিফের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আব্দুল
লতিফ মাস্টার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইনচেয়ারম্যান জাকারিয়া হারুন ও গোলাম
শাহরিয়ার শরীফের অনুগত। তারা বিগত সময়ে আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে বিএনপির
ত্যাগী নেতাদের দমন করতে সহায়তা করতো। বর্তমানে তারা আওয়ামীলীগ পুর্নবাসনে কাজ করে
যাচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপির সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল লতিফ মাস্টার জানান, বর্তমান সভাপতি
মাওলানা লতিফ সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ এলাকায় চাদাবাজি, জমি দখল, তদবির বাণিজ্য সহ সকল
অপকর্ম করে যাচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষ’ন্ন হচ্ছে। আমরা এহেন কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ
জানাচ্ছি।
সংঘর্ষের বিষয়ে ওসি মুক্তাগাছা কামাল হোসেন জানান, ঘটনা শুনেছি তবে কোন অভিযোগ
পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মীর সবুর