রশির দুই প্রান্তে দুই দল। এক পাশে ব্রাজিলের তারকা নেইমার, অন্য পাশে জাপানের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড ইউইয়া ওসাকো। এই প্রতীকী চিত্র ফুটিয়ে তুলছে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল ও জাপানের মধ্যকার সম্ভাব্য লড়াইয়ের তীব্রতা। মাঠে ৯০ মিনিটের লড়াইও হতে পারে ঠিক এমন শক্তি, কৌশল ও মানসিক দৃঢ়তার পরীক্ষা।
কাগজে-কলমে ব্রাজিলকে এগিয়ে রাখছেন বেশিরভাগ ফুটবল বিশ্লেষক। আক্রমণভাগে নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোর মতো তারকারা যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।আবার জাপানের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের দলগত ফুটবল, শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ধরে রাখার চেষ্টা করবে ব্রাজিল। তবে জাপান রক্ষণে সংগঠিত থেকে কাউন্টার অ্যাটাকে সুযোগ খুঁজবে। ম্যাচ যত দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকবে, ততই চাপ বাড়বে ব্রাজিলের ওপর।
তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, নকআউট পর্বে ছোট কোনো দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। জাপান আগেও একাধিক শক্তিশালী দলকে চমকে দিয়েছে। তাই সামান্য ভুলও ব্রাজিলের জন্য বড় মূল্য ডেকে আনতে পারে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা, তারকাসমৃদ্ধ স্কোয়াড এবং বড় ম্যাচ খেলার মানসিকতায় ব্রাজিল কিছুটা এগিয়ে।

