অমৃত জ্যোতি, (মধ্যনগর) সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টনীতে আবদ্ধ জলাভূমি মধ্যনগর উপজেলায় বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে পর্যটকের সমারোহ।তবে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকার কারণে নানান বিপাকে পরছেন আগত পর্যটকেরা।চলতি বছরে বিগত একমাসের মধ্যেই একাধিক পর্যটকরের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
ষড়ঋতুর দেশে ২০টির অধিক সহ টাঙ্গুয়া’র হাওর দেখতে মধ্যনগরে চলে আসেন দুরদুরান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটক।উপভোগ করেন পানি,ধান,মাছ,ভাইরাল সেতু,শীতের অতিথি পাখির কলকাকলি,সবুজের সমারোহ,সোনালী ধানের গন্ধ,মেঘালয় পাহাড়,কয়লা,চুনাপাথর,গাঢ়ো,খাসিয়া পাহাড়, আর ভারত থেকে নেমে আসা বড় বড় ছড়ার অপরুপ মধুময় দৃশ্য।
এই এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ মোতায়ন ও পর্যাপ্ত সুবিধাজনক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়তই হন্নহয়ে নিয়ম বতির্ভুত ভাবেই গুরতে থাকেন ভ্রমনকারীরা।লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার না’করে চলাচল,হাউসবোটের অনিরাপত্তা,শৃঙ্খলা,নির্ধারিত ভাড়া,হোটেল,রেস্তুরা,পার্কিং ব্যবস্থা,ওয়াসব্লক সুবিধা ও প্রশাসনিক সহায়তার সুবিধা না থাকায় অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন প্রতিনিয়তই।এমনকী প্রতিবছরেই ঝড়ে যায় ঘুরতে আসা অসংখ্য পর্যটকের তাজা তাজা প্রাণ।
২০২৬সালে হাওরে পানি ভাসার সাথে সাথেই তাহিরপুরের পাটলাই নদীতে এক কিশোর পর্যটক নিখোঁজ,পরদিন টাঙ্গুয়ার অথৈজলে আরো এক পর্যটকে জলে নেমে নিখোঁজ।সবশেষে হাউসবোট পরীক্ষা মূলক চালাতে গিয়ে প্রথম দিনেই ইঞ্জিনে পরে গিয়ে ধর্মপাশার কামলাবাজ গ্রামের এক পুলিশের ৮বছর বয়সী শিশু কন্যার মৃত্যু।
তাই উপরোক্ত সকল সমস্যা নিরসনে পর্যটন কতৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ,পর্যাপ্ত তদারকির ও পর্যাপ্ত সুবিধা স্থাপনের জোরদাবী জানিয়েছেন আগত পর্যটকগন।

