বাকৃবি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অবস্থিত কৃষিব্যবসা ও উন্নয়ন শিক্ষা ইনস্টিটিউটে (আইএডিএস)২৩তম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে এ নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়।
আইএডিএস পরিচালক অধ্যাপক ড.ছাদেকা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রোক্টর (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির,কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, আইসিটি সেল পরিচালক ড. মো. রোস্তম আলী সহ ইন্সটিটিউটের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ।
জানা যায়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২৭ জন শিক্ষার্থী গ্রীষ্মকালীন সেমিস্টারে(এপ্রিল-সেপ্টেম্বর)ভর্তি হয়েছেন। এ ইনস্টিটিউটে ১ জন পরিচালক, ১জন অধ্যাপক, ১ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ৩ জন সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, আমার ধারণা ২০বছর পরে ক্লাসরুমের চাহিদা কমে যাবে সব কিছু অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাবে।সে জন্য পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি এই আধুনিক যুগে টিকে থাকতে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে।বিশ্ববাজারের উদ্ভাবনী মডেল ও গবেষণাকে দেশের প্রেক্ষাপটে কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর মডেল তৈরি করতে হবে।
সভাপতি অধ্যাপক ড. ছাদেকা হক বলেন,আমাদের মূল লক্ষ্য চাকরিপ্রার্থী তৈরি নয় বরং দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের উদ্যোক্তা তৈরি করা যার মেধা ও সেবার মাধ্যমে সমাজকে ইতিবাচক কিছু উপহার দেওয়া সম্ভব। এজন্য গতানুগতিক ক্লাসের পরিবর্তে আমরা ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত ও ব্যবহারিক নির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করব। যেখানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কেইস স্টাডি বিশ্লেষণ করে সরাসরি বাস্তব সমস্যার সমাধান শেখানো হবে।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন,বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা ও জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে ছোট থেকেই শুরু করতে হবে এবং প্রতিটি মুহূর্তের সদ্ব্যবহার করে সে জ্ঞান ও দক্ষতাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যেন তা অন্যদের নজরে পড়ে। লক্ষ্য হওয়া উচিত চাকরিপ্রার্থী না হয়ে স্মার্ট ও স্বাধীন ব্যবসার মাধ্যমে নিজের ও অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয়ে দেশের জন্য ইতিবাচক কিছু উপহার দেওয়া।

