মিয়ানমারে মধ্যরাতে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার প্রভাব অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও এর আশপাশের এলাকায় মৃদু কম্পন টের পাওয়া গেছে।
রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকা থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে ছিল এর কেন্দ্রবিন্দু।
ভূমিকম্পের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দারা জানান, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। ভয়ে অনেক মানুষ মাঝরাতেই ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত শনিবার (৯ মে) বিকেলেও দেশের উত্তরাঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে হওয়া সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। ভারতের আসাম সীমান্ত এলাকায় উৎপত্তিস্থল হওয়ায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে তখন বেশ ভালো ঝাঁকুনি অনুভূত হয়।
পরপর দুই দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

