ইরানের ৭০% মিসাইল অক্ষত থাকতেই কেন অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর করলো ট্রাম্প ?
যুদ্ধজয়ের দামামা বাজিয়েও শেষ পর্যন্ত কি ‘অস্ত্র সংকটে’ থমকে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তির যে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে রীতিমতো কেঁপে উঠেছে হোয়াইট হাউস। একদিকে ইরানের ৭০ শতাংশ মিসাইল ও ড্রোন মজুদ এখনো অক্ষত, অন্যদিকে পেন্টাগনের ভাণ্ডারে টান পড়েছে টমাহক আর প্যাট্রিয়ট মিসাইলের।
অস্ত্রের আকাল: মাত্র ৪০ দিনের যুদ্ধে আমেরিকা তাদের ৪৫% প্রিসিশন স্ট্রাইক এবং ৩০% টমাহক মিসাইল খরচ করে ফেলেছে।
প্যারালাইজড ডিফেন্স: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে গিয়ে ৫০% ইন্টারসেপ্টর মিসাইল (প্যাট্রিয়ট ও থাড) শেষ হয়ে গেছে, যা পূরণ করতে সময় লাগবে অন্তত ৩ থেকে ৫ বছর।
চীন-রাশিয়া ফ্যাক্টর: এই মুহূর্তে রাশিয়ার সাথে উত্তজনা কিংবা চীনের সাথে নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে আমেরিকা পুরোপুরি নিরুপায় হয়ে পড়বে—এই ভয়েই ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানের অটল অবস্থান আর মার্কিন সামরিক গুদামের এই শূন্যতাই কি তবে একবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ শক্তিধর রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত?

