জাবেদ শেখ, জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬–২০২৭ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনই এক প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ সামনে এসেছে, যা নিয়ে আইনজীবী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন সকাল থেকেই উকিল বার ও আদালত চত্বর বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের উপস্থিতিতে সরব ছিল। এ সময় তারা আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানান।
এদিকে, চরমোনাইভিত্তিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন সদস্য ও সংগঠনটির আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বার নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। তিনি কেন্দ্রীয় অনুমতি নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে আদালত চত্বরে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং চেম্বারে গিয়ে বসতে বলা হয়। পরে তিনি চেম্বারে অবস্থান করলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে গিয়ে তাকে মারধর করেন। এ সময় পানির বোতল ও চেয়ার দিয়ে আঘাত করা হয় এবং নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পর তিনি বলেন, যদি কোনো প্রার্থী এমন করত, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিচার চাইতাম। কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই যদি হামলায় জড়িত থাকে, তাহলে আমি বিচার চাইব কার কাছে?
তিনি আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই এ হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আইনজীবীর মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

