এম.শাহীন আল আমীন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
সরকার অনুমোদিত ও নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল “বাংলা এমএফ” এ “ ১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী: দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাবা-মা” শিরোনামে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশের কয়েক ঘন্টা পর বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেনের সার্বিক তত্বাবধানে সেই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, ২৪মার্চ সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর মাঞ্জালিয়া গ্রামের ভিক্ষু মিয়ার কন্যা স্কুল ছাত্রী (১৪)অপহরণ হয়। ২৬ মার্চ অপহরণকারীরা অপহৃত স্কুল ছাত্রীর বড় বোনের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে তার মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে স্কুল ছাত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে স্কুল ছাত্রীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ ও অনলাইনে জিডি করেন। কিন্তু স্কুল ছাত্রী উদ্ধার হয়নি। কন্যাকে উদ্ধারের জন্য ভ্যান চালক বাবা ও দরিদ্র মা প্রশাসন ও সমাজের বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে।
১১ এপ্রিল বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করলে এ ব্যাপারে সরকার অনুমোদিত ও নিবন্ধিত অলাইন নিউজ পোর্টাল “বাংলা এমএফ” এ “ ১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী: দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাবা-মা” শিরোনামে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত সংবাদটি জামালপুর জেলার মানবিক পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিনের দৃষ্টি গোচর হয়। পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে স্কুল ছাত্রীকে দ্রুত উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।
জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিনের নির্দেশনায় এবং বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেনের সার্বিক তদারকিতে ১১ এপ্রিল শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে ময়মনসিংহ থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ।
এব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনাচার্জ মকবুল হোসেন জানান, স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তার পিতা মাতার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন জানান, পুলিশের কাজই জনগণের সেবা করা। বিপদ গ্রস্ত নাগরিকের পাশে দাড়িয়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই পুলিশের দায়িত্ব। এ দায়িত্বের অংশ হিসেবেই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ছাত্রীর পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

