মোঃ রেজাউল হক শাকিল, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বিদ্যুতের অস্বাভাবিক লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে দিন-রাত মিলিয়ে গড়ে ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এখন বিকল্প হিসেবে চার্জার ফ্যানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে উপজেলায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। দিনের চেয়ে রাতে লোডশেডিংয়ের স্থায়িত্ব বেশি হওয়ায় মানুষের ঘুমের চরম ব্যাঘাত ঘটছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।
উপজেলার সিদলাই ইউনিয়নের পোমকাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান আক্ষেপ করে বলেন, “বিদ্যুৎ কখন আসে আর কখন যায় তার কোনো ঠিক নেই। দিনে ১০-১২ বার কারেন্ট যায়। এই গরমে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। ছোট বাচ্চা আর বৃদ্ধদের নিয়ে আমরা খুব বিপদে আছি।
তীব্র গরম আর বিদ্যুতের এমন ভেলকিবাজিতে বাজারের ইলেকট্রনিক্সের দোকানগুলোতে চার্জার ফ্যান বিক্রির ধুম পড়েছে। সামর্থ্যবানরা আইপিএস বা চার্জার ফ্যান কিনলেও নিম্নবিত্ত মানুষ গরমে চরম কষ্ট পোহাচ্ছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আবদুল আজিজ বলেন, “চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বর্তমানে কিছু লোডশেডিং হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।

