২০০০ কিডনি প্রতিস্থাপনকারী মানবিক ডা. কামরুলের কাছে চাঁদা চাইলেন যুবদল নেতা!
একজন মানুষ, যিনি গত ২০ বছরে বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারেরও বেশি মানুষের দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন। যার হাতের ছোঁয়ায় ৯৫ শতাংশের বেশি রোগী নতুন জীবন পেয়েছেন। সেই মহান চিকিৎসক, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম এখন নিজ হাসপাতালেই নিরাপদ নন। শেরে বাংলা নগর থানা যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের নেতৃত্বে একদল চাঁদাবাজের হাতে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।
৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় এই গুণ্ডামি! আমরা কি তবে মানবিকতার টুঁটি চেপে ধরা এক সমাজে বাস করছি?
ডা. কামরুল ইসলাম দেশের চিকিৎসা জগতের এক কিংবদন্তি। দেশের মোট কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রায় অর্ধেকই সম্পন্ন হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে। ২০২২ সালে রাষ্ট্র তাঁকে ‘স্বাধীনতা পদ’ দিয়ে সম্মানিত করে। অথচ এই মানুষটির গড়া ‘সিকেডি’ হাসপাতালে ঢুকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তথাকথিত রাজনৈতিক নেতারা। যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এমন ব্যক্তিত্বরা মন্ত্রীদের চেয়ে বেশি প্রটোকল পান, সেখানে আমাদের দেশে তাঁকে স্থানীয় পাতি নেতাদের কাছে জিম্মি হতে হচ্ছে।
ঘটনার মূলে রয়েছেন শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন মঈন। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের খাবার সরবরাহ বা টেন্ডার নিজের কবজায় নিতে না পেরে ডা. কামরুল ইসলামের ওপর চড়াও হন এই নেতা। গত জুলাই-আগস্টের পর থেকেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মঈন উদ্দিন মঈন হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে কর্মীদের ওপর তর্জন-গর্জন করছেন। ডা. কামরুল ইসলাম নিজেই জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে বিএনপির একাধিক বড় নেতার কাছে নালিশ করেও প্রতিকার পাননি। শেষ পর্যন্ত প্রাণের ভয়ে তিনি থানায় জিডি করেছেন। একজন মহান চিকিৎসককে যখন অন-ক্যামেরা এসে এমন যন্ত্রণার কথা বলতে হয়, তখন রাজনীতির লজ্জা হওয়া উচিত।
খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর টনক নড়ে যুবদল নেতৃত্বের। কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম নয়ন হাসপাতালে গিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের সাথে দেখা করেছেন। আমরা একে সাধুবাদ জানাই, কিন্তু প্রশ্ন একটাই—এটি কি শুধু মিডিয়ার চোখ রাঙানি থেকে বাঁচতে ‘লোক দেখানো’ লোক দেখানো অ্যাকশন? নাকি মঈন উদ্দিন মঈনের মতো চাঁদাবাজদের স্থায়ীভাবে সমাজ থেকে উৎখাত করা হবে? আজ যদি ডা. কামরুল ইসলাম জনপ্রিয় না হতেন, তবে কি কেউ তাঁর পাশে দাঁড়াত?
ডা. কামরুল ইসলাম আমাদের গর্ব। তাঁর মতো মানুষের চোখের পানি এই রাষ্ট্রের জন্য অভিশাপ। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যারা এমন গুণ্ডামি চালায়, তাদের জেলের বাইরে থাকার কোনো অধিকার নেই। বিএনপি নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান—এই মাত্রাজ্ঞানহীন চাঁদাবাজদের দল থেকে চিরতরে পরিষ্কার করুন।
দর্শক, আপনারা কী মনে করেন? এই চাঁদাবাজ মঈনদের কি শুধু দলীয় বহিষ্কারই যথেষ্ট নাকি দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তি প্রয়োজন? আপনার মতামত নিচে কমেন্টে জানান। ভিডিওটি শেয়ার করে আমাদের দেশের সম্পদ ডা. কামরুল ইসলামের পাশে দাঁড়ান।
একজন মানুষ, যিনি গত ২০ বছরে বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারেরও বেশি মানুষের দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন। যার হাতের ছোঁয়ায় ৯৫ শতাংশের বেশি রোগী নতুন জীবন পেয়েছেন। সেই মহান চিকিৎসক, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম এখন নিজ হাসপাতালেই নিরাপদ নন। শেরে বাংলা নগর থানা যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের নেতৃত্বে একদল চাঁদাবাজের হাতে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় এই গুণ্ডামি! আমরা কি তবে মানবিকতার টুঁটি চেপে ধরা এক সমাজে বাস করছি?
ডা. কামরুল ইসলাম দেশের চিকিৎসা জগতের এক কিংবদন্তি। দেশের মোট কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রায় অর্ধেকই সম্পন্ন হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে। ২০২২ সালে রাষ্ট্র তাঁকে ‘স্বাধীনতা পদ’ দিয়ে সম্মানিত করে। অথচ এই মানুষটির গড়া ‘সিকেডি’ হাসপাতালে ঢুকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তথাকথিত রাজনৈতিক নেতারা। যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এমন ব্যক্তিত্বরা মন্ত্রীদের চেয়ে বেশি প্রটোকল পান, সেখানে আমাদের দেশে তাঁকে স্থানীয় পাতি নেতাদের কাছে জিম্মি হতে হচ্ছে।
ঘটনার মূলে রয়েছেন শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন মঈন। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের খাবার সরবরাহ বা টেন্ডার নিজের কবজায় নিতে না পেরে ডা. কামরুল ইসলামের ওপর চড়াও হন এই নেতা। গত জুলাই-আগস্টের পর থেকেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মঈন উদ্দিন মঈন হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে কর্মীদের ওপর তর্জন-গর্জন করছেন। ডা. কামরুল ইসলাম নিজেই জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে বিএনপির একাধিক বড় নেতার কাছে নালিশ করেও প্রতিকার পাননি। শেষ পর্যন্ত প্রাণের ভয়ে তিনি থানায় জিডি করেছেন। একজন মহান চিকিৎসককে যখন অন-ক্যামেরা এসে এমন যন্ত্রণার কথা বলতে হয়, তখন রাজনীতির লজ্জা হওয়া উচিত।
খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর টনক নড়ে যুবদল নেতৃত্বের। কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম নয়ন হাসপাতালে গিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের সাথে দেখা করেছেন। আমরা একে সাধুবাদ জানাই, কিন্তু প্রশ্ন একটাই—এটি কি শুধু মিডিয়ার চোখ রাঙানি থেকে বাঁচতে ‘লোক দেখানো’ লোক দেখানো অ্যাকশন? নাকি মঈন উদ্দিন মঈনের মতো চাঁদাবাজদের স্থায়ীভাবে সমাজ থেকে উৎখাত করা হবে? আজ যদি ডা. কামরুল ইসলাম জনপ্রিয় না হতেন, তবে কি কেউ তাঁর পাশে দাঁড়াত?
ডা. কামরুল ইসলাম আমাদের গর্ব। তাঁর মতো মানুষের চোখের পানি এই রাষ্ট্রের জন্য অভিশাপ। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যারা এমন গুণ্ডামি চালায়, তাদের জেলের বাইরে থাকার কোনো অধিকার নেই। বিএনপি নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান—এই মাত্রাজ্ঞানহীন চাঁদাবাজদের দল থেকে চিরতরে পরিষ্কার করুন।
দর্শক, আপনারা কী মনে করেন? এই চাঁদাবাজ মঈনদের কি শুধু দলীয় বহিষ্কারই যথেষ্ট নাকি দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তি প্রয়োজন? আপনার মতামত নিচে কমেন্টে জানান। ভিডিওটি শেয়ার করে আমাদের দেশের সম্পদ ডা. কামরুল ইসলামের পাশে দাঁড়ান।

