মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর পর বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও ইতোমধ্যে বহু মানুষের প্রাণ গেছে। এক নজরে দেশভিত্তিক নিহতের হিসাব—
ইরান: সংঘাত শুরুর পর থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক ও শিশু রয়েছে। অন্য একটি সূত্রে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৯০০ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, আহত হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার।
ইসরায়েল: ইরান ও লেবানন থেকে হামলায় মোট ৩৪ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক উভয়ই রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র: ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে এবং ৩০০-এর বেশি আহত হয়েছে।
লেবানন: এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫৩০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শিশু ও যোদ্ধা উভয়ই রয়েছে।
ইরাক: সংঘাতে অন্তত ১১৭ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে বেসামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: ইরানি হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সেনাসদস্যও রয়েছে।
কাতার: একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছে।
কুয়েত: বিভিন্ন ঘটনায় মোট ৭ জন নিহত হয়েছে।
পশ্চিম তীর: ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
সিরিয়া: হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছে।
বাহরাইন: ২ জন নিহত হয়েছে।
ওমান:ড্রোন ও অন্যান্য হামলায় ২ জন নিহত হয়েছে।
সৌদি আরব: প্রজেক্টাইল হামলায় ২ জন নিহত হয়েছে।
ফ্রান্স: উত্তর ইরাকে ড্রোন হামলায় ১ জন ফরাসি সেনা নিহত হয়েছে।
এই সংঘাতে সামগ্রিকভাবে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

