ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের আবহেও গাজায় সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) গাজার মাগাজি শরণার্থী শিবির এবং গাজা সিটিতে পৃথক দুটি হামলায় আরও অন্তত তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মাগাজি শরণার্থী শিবির: ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, মাগাজি শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে একটি বেসামরিক গাড়িকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গাজা সিটি: গাজা সিটির পূর্ব দিকের একটি মহল্লায় ইসরায়েলি বাহিনীর অপর একটি হামলায় আরও দুইজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গত বছরের কথিত যুদ্ধবিরতি পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭০৯ জনে পৌঁছেছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৯২৮ জন। ওয়াফার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ২৯১ জনে। নিহতদের একটি বিশাল অংশই নারী ও শিশু।
এদিকে, গাজায় হামলার সমান্তরালে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগে আজ ইরান দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তি পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাকে স্পর্শকাতর তথ্য সরবরাহ করছিল।
গাজায় চলমান এই ধ্বংসযজ্ঞ এবং একই সাথে ইরান-ইসরায়েল সরাসরি যুদ্ধের উপক্রম বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

