আবদুর রহিম ( লেখক ও সাংবাদিক)
করোনা মহামারীর পর মনুষ্য সৃষ্ট ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র – ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ বিশ্ববাসীকে আরেকটি জ্বালানি সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এই যুদ্ধের ভয়াবহতা উপসাগরীয় অঞ্চল ছড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার মানুষের জীবনযাত্রার উপর আঘাত হানতে শুরু করেছে। বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশের যেসব দেশ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও প্রবাসী শ্রমিকদের র্যামিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল সেইসব দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সংকটের মুখে পড়বে।
এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের মত ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে
১. জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ে বিকল্প খুঁজতে হবে
২.বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানো
৩. ব্যক্তিগত পরিবহন পরিহার করে গণপরিবহন ব্যবহার ৪. কৃষি, রপ্তানিমুখী পণ্য ও সার শিল্পে বিদ্যুৎতের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা
৫. অফিস – আদালত, ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিনের আলোর যথাযথ ব্যবহার
৬. জাতীয় উৎসব, রাজনৈতিক – সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় সভা ও মার্কেটগুলোতে আলোকসজ্জা থেকে বিরত রাখা
৭. সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা
৮. ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় ভাবে পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি আমাদের জনগণকে মিতব্যয়ী হতে হবে।
ইনশাআল্লাহ করোনা মহামারীর মত এই জ্বালানি সংকটও আমরা দেশবাসী সম্বলিত ভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হব ।

