দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। অকটেন ও পেট্রোলের অভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন মোটরসাইকেল চালকরা। প্রতিদিনই এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে জেলার অধিকাংশ পাম্পে।
আজ বুধবার সকালে দিনাজপুরের সুচনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। অনেক বাইকার তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি যেন ভুলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে অনেকেই দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে চরম হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
মোটরসাইকেল চালক মোকারব হোসেন জানান, “ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে সময় ও শ্রম দুটোই নষ্ট হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালক হাসিনুর রহমান জানান, সকাল ১০ টার লাইনে দাঁড়িয়েছি ৩ ঘন্টা পর ৫০০ টাকার তেল পেয়েছি। ভাল লাগছে।
দিনের শুরু অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক বৈঠকে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও হেলমেট ছাড়া কোনো মোটরসাইকেল চালককে জ্বালানি দেওয়া হবে না। এছাড়া প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে একজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে, যিনি এসব কাগজপত্র যাচাই করবেন।
তবে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে বাইকারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকের মতে, এমনিতেই তেলের সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে, তার ওপর নতুন নিয়ম আরোপ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

