আবদুর রহিম, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি :
১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটির ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে গঠিত হয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। প্রায় ৬০ বর্গমাইল আয়তনের এই সিটিতে বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ।
একজন মেয়র, ৪১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে পরিচালিত এই সিটির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২৭ জুন। মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগামী কিছুদিনের মধ্যেই নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী পোস্টার, ব্যানার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন। তবে দলটির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।
তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় না থাকা তথাকথিত ‘হাইব্রিড’ নেতারা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে তদবির করছেন। এতে করে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতারা উপেক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির তৃণমূল নেতারা জানান, যদি দল মনোনয়নের ক্ষেত্রে হাইব্রিড প্রার্থীদের প্রাধান্য দেয় এবং একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে ভোট বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিরোধী দল সহজেই সুবিধা নিতে পারে এবং ৪১টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
তাদের মতে, দলীয় ঐক্য বজায় রাখা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্য নেতাদের মনোনয়ন নিশ্চিত না হলে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

