উৎফল বড়ুয়া, সিলেট প্রতিনিধি:
বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ সিলেট জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার ২৮ শে মার্চ ২০২৬ বিকেল ৫ টায় সিলেট জিন্দাবাজার ওয়েষ্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারের ১০ম তলায় সুপ্রীম “ল” চেম্বারে সংগঠনের আহ্বায়ক ডক্টর এম এ মোশতাক এর সভাপতিত্বে ও সদস্য-সচিব মোহাম্মদ আসাদুল হক আসাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন সংগঠনের সদস্য সাব্বির আহমেদ।
অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডক্টর সৈয়দ আশরাফুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সীতাব আলী, তাজপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রানকান্ত দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মিহির রঞ্জন দাস, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গুলজার আহমেদ, সমাজসেবক আনোয়ার চৌধুরী, সংগঠনের যুগ্ন আহ্বায়ক তাহমিনা আহাদ রুজি, সংগঠনের অন্যতম সদস্য সার্জেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মোঃ আবুল হোসেন,রিয়াজ উদ্দিন,মোঃ সাদিকুর রহমান,সাংবাদিক সুয়েজ হোসেন,রুহান আহমেদ,মোস্তফা নূর চৌধুরী,মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন,হিফজুল্লাহ তানভীর,সাংবাদিক মোঃ আমীর হোসেন সোহাগ ও সাংবাদিক উৎফল বড়ুয়া।
বক্তাগণ মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন এই মহান ব্যক্তির অবদান জাতি কখনো ভুলতে পারবেনা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক তার সুশৃংখল নেতৃত্ব এবং জনকৌশল বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল। বঙ্গবীর ওসমানী শুধুমাত্র একজন সর্বাধিনায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি দেশ প্রেমিক এবং গণতন্ত্রের আদর্শবাদী মানুষ। তাই দল মত নির্বিশেষে এই আদর্শ পুরুষের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সঠিক তথ্য ইতিহাসের মধ্যে লিপিবদ্ধ করে উনার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার জন্য জোর দাবি জানান।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক তাহমিনা আহাদ রুজি ও মোঃ সীতাব আলী।

