অমৃত জ্যোতি,(মধ্যনগর)সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের মহোৎসব উদযাপনের ব্যানার টানালেও উল্লখিত দিনে অনুষ্ঠিত হয়নি উৎসব।
সম্প্রতি মধ্যনগর উপজেলা সৎসঙ্গীদের ব্যানারে মধ্যনগর সদরের চৌরাস্তার উপরে “শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম শুভ জন্ম মহোৎসব” চলতি বছরের ২৭মার্চ শুক্রবার,স্থান (সুনইপাড়া)মধ্যনগর অনুকূল চন্দ্রের মন্দির প্রাঙ্গন।উল্লেখ করে জাতি ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলকেই অনামন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
কিন্তু আজ ২৭শে মার্চ শুক্রবার দিবসে প্রচারনার ফেস্টুনটি পাওয়া যায়নি এবং প্রচারিত স্থানে উৎসব উদযাপন হতেও দেখা যায়নি।অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে মধ্যনগর উপজেলার সৎসঙ্গীদের মধ্যে বিভক্তি থাকায় প্রায় তিন বছর যাবৎ শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্ম মহোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।একসময়ে জাঁকজমকপূর্ণ ও জয়জয়কার ছিল মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গের। সৎসঙ্গীদের মাঝে ছিল অফুরন্ত আমেজ।প্রতি বছরেই আড়ম্বর পরিবেশ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা,ধর্মসভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় সকল সৎসঙ্গীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতো শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের মহোৎসব।
মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গের সর্বশেষ উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনুজ কান্তি সরকারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন-ব্যানার শুধু আমিনয়, এলাকার সর্বজনের দৃষ্টিতেই পরেছে।মন্মথ মহানায়ক নিজেকে মন্দিরের ইনচার্জ দাবী করে।এখানকার উৎসবের নির্ধারিত তারিখ আলোচনা পত্রিকা অনুযায়ী ২৭শে ফেব্রুয়ারী কথা থাকলেও তার মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়েই ব্যানার টানিয়ে ছিল।আজ দিন ব্যাপী কোন কার্যক্রম চোখে পড়েনি।স্থানীয় সৎসঙ্গীবৃন্ধের পক্ষে জাতি ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে নিমন্ত্রণ জানানোর দায়িত্ব তাকে কে দিয়েছে।এটা আমার নয় সকল সৎসঙ্গীদের একই প্রশ্ন।উৎসবের তারিখ দিয়ে আবার কোন ব্যাখ্যা ছাড়াই বন্ধ।তাছাড়া নিজেকে মন্দিরেই নেই ইনচার্জ হয় কেমনে।তোরণ নির্মিত বাউন্ডারির ভিতরে পতিত জায়গায় রয়েছে।আমি মনে করি এমন সৎসঙ্গী সৎসঙ্গের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্নই করবে।
মধ্যনগর শাখা সৎসঙ্গের সাবেক সভাপতি পংকজ রায়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন-উৎসব সম্পর্কে কিছু জানিনা।তবে ব্যানার একটা দেখছিলাম এখন নাই।আমার মন্তব্য মন্মথের জন্যই এই অবস্থা।কারো সাথে কোন সমন্বয় নাই।কেন্দ্র থেকে তাকে কোন সভাপতি করা হয়নি।আমার জানা মন্দিরের জায়গাটুকু রক্ষণাবেক্ষণের কথা।কোন মিটিং বা আমাদের সাথে সমন্বয় নেই সবি তার মনগড়া সিদ্ধান্ত।
পল্লী চিকিৎসক মন্মথ মহানায়কের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমরাই ব্যানার টানিয়েছিলাম।কিন্তু অনুমতি নেই।কেউ আসেনা।খোজ খবর নেয়না।তাই আজকে উৎসব হচ্ছে না।

