আলিফ আল সুফিয়ান রঙ্গন, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি:
দেশের জনপ্রিয় ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা PUBG Mobile Campus Championship Bangladesh 2026 Spring-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে Bangladesh Maritime University-এর চার শিক্ষার্থীর একটি দল।
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অসংখ্য দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় একাধিক কঠিন ধাপ পেরিয়ে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির দলটি ফাইনালে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। অনলাইন কোয়ালিফায়ার, রাউন্ড অব ৮০, রাউন্ড টু এবং সেমিফাইনালসহ প্রতিটি পর্যায়ে চমৎকার পারফরম্যান্স দেখিয়ে তারা গ্র্যান্ড ফাইনালে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে।
মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্বকারী এই দলটির সদস্যরা হলেন—
আল আমিন তালুকদার, সাইফ হাসান, আরাফাত সিদ্দিক এবং যোবায়ের রহমান আবির। চারজনের সমন্বিত দক্ষতা, কৌশল এবং দলীয় পারফরম্যান্সের ফলেই তারা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল রাউন্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।
এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছে KRAFTON, Level Infinite এবং GOAT ESPORTS। দেশের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির দলটি তাদের দক্ষতা ও সমন্বিত দলীয় খেলায় সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
গ্র্যান্ড ফাইনাল পর্বে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করবে এবং দুই দিনে মোট ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতাটির মোট প্রাইজ পুল ৩ লক্ষ টাকা, যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার।
এবারের গ্র্যান্ড ফাইনালে SUST, BRAC , AIUB, Khulna University, Daffodil International University, Hajee Mohammad Danesh, Bangladesh Maritime University সহ মোট ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল জায়গা করে নিয়েছে।
দলের এক সদস্য বলেন,
“আমরা শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। যদিও প্রথমে আগে থেকে একসাথে প্রাকটিস না থাকায় আমাদের একটু কষ্ট করতে হয়েছে কারন প্রতিটি রাউন্ডে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, তবুও আমরা সর্বোচ্চ ডেডিকেশন দিয়ে চেষ্টা করে ফাইনালে উঠতে পেরেছি। এখন আমাদের লক্ষ্য গ্র্যান্ড ফাইনালে ভালো পারফরম্যান্স করা।”
প্রতিযোগিতার প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে PUBG Mobile Official Bangladesh ইউটিউব চ্যানেল থেকে।
মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের এই অর্জন ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। প্রযুক্তি ও ই-স্পোর্টসের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

