বরিশাল প্রতিনিধি:
বাকেরগঞ্জে ছাত্রদল নেতা ফাহাদ খানকে (৩০) হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মানববন্ধন করা হয়েছে।৩ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের হলতা বাজার এলাকায় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগনের ব্যানারে এ মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে এ ঘটনার সাথে জড়িত সব আসামীদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নেয়ামুল হক নাহিদ,২ নং চরাদি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাজাহান তালুকদার,সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ হাওলাদার,সাইদুল মেম্বর,উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক রেদোওয়ান আহমেদ অমি, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাহাবুদ্দিন ডাকুয়া প্রমুখ।
উল্লেখ ২ মার্চ সোমবার রাত ৯টার দিকে চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফাহাদ খানকে নিশংস ভাবে কুপিয়ে আহত করে একই ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন পান্নু খানের ছেলে যুবলীগ কর্মী আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজ, ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানাসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন।
হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, চরাদি ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন পান্নু খানের ছেলে যুবলীগ কর্মী আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজ, ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানাসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে জখম করে।
ভিডিও বার্তায় ফাহাদ আরও দাবি করেন, হলতা বাজারে ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় গিয়ে তাকে মামলায় সহায়তা করেন। এছাড়াও যুবলীগ কর্মী আরিফ ও কাজী রিয়াজ এলাকায় মাদক ব্যবসায় সাথে জড়িত। বিভিন্ন সময় তিনি মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন। এসবের জের ধরে তার ওপর হামলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ইতিমধ্যে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ছাত্রদল নেতা ফাহাদ খান কে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় কাজী রিয়াজ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।

