বাউফল, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত লালু শাহ (৬০) নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় চৌকিদার মহিবুল্লাহর পিতা।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত লালু শাহ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম শিশু নুসাইবা (৯) উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের চর আলগী গ্রামের হাসান হাওলাদারের মেয়ে। সে সম্পর্কে অভিযুক্ত লালু শাহের নাতনি।
পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যার আগে ধানদী গ্রামে নানা বাড়িতে একটি খালি ঘরে শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন লালু শাহ। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিশুটির পরিবার প্রথমে অভিযুক্তের ছেলে চৌকিদার মহিবুল্লাহকে জানায়। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোঃ শাহরিয়ার আল কাইয়ুম জানান, প্রাথমিক পরীক্ষার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, “খবর পাওয়ার পরপরই আমরা বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। ভিকটিমকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লালু শাহ পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এই জঘন্য ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ধর্ষক লালু শাহকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

