আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচিত ঘটনা হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর রাজধানী তেহরান–এর বিভিন্ন সড়কে হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে শোক প্রকাশ করছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, খবরটি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে আসেন। কেউ শোক মিছিল করছেন, কেউ আবার দোয়া ও স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।
এর আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খামেনিকে হত্যার দাবি করা হয়েছিল। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু–এর বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই ধরনের দাবি করেন। তবে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের অপেক্ষায় ছিল আন্তর্জাতিক মহল।
শেষ পর্যন্ত ইরান সরকার ভোরের দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে পরিস্থিতি আরও আবেগঘন হয়ে ওঠে। দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন শহরে স্মরণসভা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও রাজধানীতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবুও সব ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা উপেক্ষা করে খামেনিকে ঘিরে নির্ধারিত শোকানুষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

