ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, রোববার (১ মার্চ) সকালে এ তথ্য প্রচার করা হয়। একই সঙ্গে তার মৃত্যুতে ইরান-এ ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে খামেনি নিহত হন। এ তথ্য প্রথমে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশ করে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, খামেনির মৃত্যু ঘটেছে এবং এটিকে তিনি “ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, উন্নত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু করা সম্ভব হয়েছে এবং এই অভিযানে তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তিও নিহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম যেমন রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ-এর প্রতিবেদনে ট্রাম্পের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে একই ধরনের দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া খবরে আরও বলা হয়েছে, ওই হামলায় খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্য—তার মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন। তবে ঘটনাটি ঠিক কোথায় এবং কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

