মোঃ তৌহিদুর রহমান, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত পুলিশ কনস্টেবলের নাম আলী আহমেদ।
এ ঘটনায় মো. আব্দুল মালেককে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম। তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযুক্ত মো. আব্দুল মালেক উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বকসিপুর গ্রামের মো. লিয়াত আলী মণ্ডলের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের দিন পাংশা মডেল থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আলী আহমেদ জয়কৃষ্ণপুর মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে বেলা আড়াইটার দিকে মো. আব্দুল মালেক তার কাজে বাধা প্রদান করেন এবং তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আব্দুল মালেক পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ওই দিন রাতে ভুক্তভোগী আলী আহমেদ বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে মারধরের শিকার পুলিশ সদস্যের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিযুক্ত মো. আব্দুল মালেকের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের দিন থেকেই তারা বাড়িতে নেই।
পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, বেআইনিভাবে পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় আব্দুল মালেককে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

