দিনাজপুর প্রতিনিধি :
নতুন সরকার গঠনের পর সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে বহুগুণ। মাদক নির্মূল থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈষম্যহীন প্রশাসন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন—সবখানেই কার্যকর পদক্ষেপ চান জেলার বাসিন্দারা।
দিনাজপুরে টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন ও বৈষম্যহীন নীতিমালা প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, মাদকবিরোধী অভিযান, শিল্পকারখানা স্থাপন, আইটি পার্ক গড়ে তোলা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্প্রসারণের মাধ্যমে জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—নতুন সরকার প্রতিশ্রুত উন্নয়ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিনাজপুরকে একটি মাদকমুক্ত, কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ জেলায় পরিণত করবে।
যুবক বিপ্লব রহমান বলেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম শব্দই ছিল সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সেই বাংলাদেশ দেখতে চাই। তার কথার বাস্তবায়ন হবে তরুণ সমাজ এমনটাই দেখতে চায়।
শহরের ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দিনাজপুর সীমান্ত জেলা হওয়ায় মাদক সমস্যা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা চাই কঠোর নজরদারি ও স্থায়ী সমাধান।
দিনাজপুর সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার জানান, যুবকদের আইটি খাতে দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি। এতে দেশেই কর্মসংস্থান বাড়বে।
কৃষক আব্দুল কাদেরের ভাষ্য, গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন হলে উৎপাদন বাড়বে, কৃষকও লাভবান হবে।
গৃহিণী শারমিন বেগম বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারে না। আমরা নিরাপদ পরিবেশ চাই।
অপরদিকে প্রবাসে যাওয়ার প্রত্যাশী যুবক সাইদুল ইসলাম বলেন, বিদেশে কাজের সুযোগ বাড়াতে সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা দিলে আমরা দক্ষ হয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারব।


