জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটে আলু ব্যবসার আড়ালে সংঘটিত প্রায় ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রতারণার ঘটনায় যুবদল নেতা রাজু আহমেদ বগুড়া জেলা কারাগারে আছেন রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি তার জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত, বিষয়টি সদর কোর্টের পেশকার ফজলুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
মামলা নম্বর ১৫২/২৬ সিঃ অভিযুক্ত যুবদল নেতা রাজু আহমেদ জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের তোজাম্মেলের ছেলে বয়স ৩৭ বছর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আলু, মরিচ, ধান ও পাট ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে ব্যবসা করছেন। রাজু আহমেদ নিজেকে আলু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে অভিযোগকারীর বিশ্বাস অর্জন করেন এবং নওটিকা মুন্নি চৌধুরী হিমাগার লিমিটেড এ সংরক্ষিত আলু বিক্রয়ের প্রলোভন দেখান। মামলায় আরও বলা হয়েছে, হিমাগারের ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজার (২ ও ৩নং আসামি) রাজু আহমেদের সহযোগী ছিলেন।
চুক্তিপত্র ও মেমোর মাধ্যমে মোট ১,২৩২ বস্তা আলু (বস্তাপ্রতি ১,২৫০ টাকা) বিক্রয়ের নামে ১৫,৪০,০০০ টাকা গ্রহণ করা হয়। অভিযোগকারী টাকা পরিশোধের পর আলুগুলো হিমাগারে সংরক্ষিত থাকবে বলে জানানো হলেও পরে জানা যায়, আলুগুলো বিক্রি করা হয়েছে এবং বিক্রির টাকা রাজু আহমেদের কাছে রয়েছে। অভিযোগকারী টাকা ফেরত চাইলে একপর্যায়ে তাকে খুন ও লাশ গুমের হুমকিও দেওয়া হয়।
বগুড়ার সাতমাথা এলাকায় এক বৈঠকে আসামিরা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করলে বিষয়টি গুরুতর আকার ধারণ করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাজু আহমেদ ও সহযোগীরা দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৫০২(২) ও ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
মামলার বাদী শাহ আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাজু আহমেদ প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক। নিজেকে বড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করেছে। আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারি নিজ এলাকায় গত ৫ আগস্ট এর পর বিএনপি’র নেতা দাবি করে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখল গভীর নলকূপ দখল বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করেছেন আমি বগুড়া আদালতে মামলা করেছি। এখন রাজু আহমেদ কারাগারে আছে। আমি টাকা ফেরত চাই এবং সঠিক বিচার হোক।

