এতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের পরের সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা, হামলা বা হয়রানির প্রতিকারে কেন্দ্রীয়ভাবে সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আমির ডা. শফিকুর রহমান হটলাইন চালুর মাধ্যমে নাগরিক ও দলের নেতাকর্মীদের দ্রুত অভিযোগ জানাতে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে উৎসাহিত করছেন।
হটলাইন চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো—অভিযোগ দ্রুত নথিভুক্ত ও যাচাই করা, প্রমাণ সংরক্ষণ করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার এবং আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, কারণ এটি সহিংসতা রোধ, দায়সংশ্লিষ্টদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কার্যকারিতা নির্ভর করবে হটলাইনের যথাযথ পরিচালনা ও অভিযোগের দ্রুত সমাধানের উপর।


