বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের সাতটি রাজ্যের সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে ভারত সরকার। বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তাপ কোনোভাবে ভারতের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে না পড়ে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় হোটেল ও জনবহুল স্থানে তল্লাশি অভিযান শুরু।
সন্দেহজনকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যানবাহনে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর ব্লকে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই অভিযান ভোটের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলবে।
ভারত-নেপাল সীমান্তের পশুপতি ফটকে নিরাপত্তা বৃদ্ধি। দুই দেশের নাগরিক এবং পর্যটকদের জন্য ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক। পূর্বে আধার ও প্যান কার্ড গ্রহণযোগ্য ছিল। প্রহরার দায়িত্বে সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) নিয়োজিত।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর তিন দিন (বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র) বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কাজে চলাচল করে। ঘোজাডাঙ্গার ক্লিয়ারিং এজেন্ট যুধিষ্ঠির সরকার জানিয়েছেন, শনিবার থেকে বন্দর পুনরায় খুলবে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।
তিন দিনের বন্দর বন্ধ থাকার কারণে কার্যত বনধের প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে ব্যস্ততম সীমান্ত স্থলবন্দরগুলোতে।

