এস এম হাবিবুল হাসান, সাতক্ষীরা :
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে গত একমাসে ভারত থেকে চাল আমদানি হয়েছে ২১ হাজার ৭২৪ মেট্রিক টন।দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সরকারি মজুত বাড়াতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৫ দিনে ভোমরা বন্দর দিয়ে এই চাল দেশে প্রবেশ করেছে বলে জানান কাস্টম কতৃপক্ষ।
সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা যায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর আমদানিকারকরা দ্রুততার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে চাল আমদানী করা শুরু করেছেন। মূলত বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণ করতেই সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ।
সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোস্তফা কামাল জানান, খাদ্য অধিদপ্তর থেকে নতুন করে লক্ষাধিক মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য বন্দরের মতো ভোমরা দিয়েও বড় পরিসরে চাল আসছে এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দ্রুত পণ্য খালাসের বিষয়টি তদারকি করছে।
আমদানীকারক ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ভোমরা স্থলবন্দর আমদানিকারকদের কাছে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন,সাতক্ষীরার ভোমরা এখন পূর্ণাঙ্গ কাস্টমস হাউস। এখানে পণ্য খালাসে সময় কম লাগে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত। এ কারণে অন্যান্য বন্দরের তুলনায় ব্যবসায়ীরা এখান দিয়ে চাল আমদানিতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন।”
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা মনে করছেন, চালের এই বিশাল চালান বাজারে পৌঁছালে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি দামের চাপ কমবে। একই সঙ্গে নিয়মিত আমদানি অব্যাহত থাকলে জাতীয় অর্থনীতিতেও এই বন্দর বড় ভূমিকা রাখবে।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চাল আমদানির এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

