ভূরুঙ্গামারী ( কুড়িগ্রাম ) প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-১ ( ভূরুঙ্গামারী -নাগেশ্বরী-কচাকাটা) আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ) ও জামায়াত ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন “নির্বাচীত হলে নিজে দূর্নীতি করবো না এবং অন্যকেও করতে দিবো না”। শুক্রবার বিকেলে কচাকাটা থানা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত কচাকাটা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অধ্যাপক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচীত হলে আমি আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। উন্নয়নের মিথ্যা আশ্বাস আমি আপনাদেরকে দিবো না। তবে এতটুকু ওয়াদা আমি দিতে পারি আমি যদি আল্লাহর রহমতে নির্বাচীত হই তবে নিজে দূর্নীতি করবো না এবং অন্যকেও করতে দিবো না। রাস্তা ঘাট, সেতুসহ উন্নয়ন বরাদ্দ যা আসবে তা জন সম্মুখে প্রকাশ করা হবে। কালিগঞ্জ ঘাটে দুধকুমার নদের উপর একটি সেতু এবং সোনাহাট স্থলবন্দর ও কচাকাটার মাঝামাঝি একটি ৩০ শষ্যার হাসপাতাল করার আশ্বাস দেন তিনি।
এছাড়াও এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন,বেকারত্ব দূরীকরণ এবং মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত করবেন বলে ভোটারদের এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এসময় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় জনসভার মাঠ।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে মরিয়া ১১ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা। এ লক্ষ্যে জোট কর্মীরা সকাল থেকে মধ্যে রাত অবধি মাঠে-ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন। বিজয় নিশ্চিত করতে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিতে নারাজ জামায়াত ইসলামী ও তার জোট।
জামায়াতের কচাকাটা থানা আমির মাওলানা এনামুল হক এর সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী ও সহকারি সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ।
জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোশাররফ হোসাইন, এনসিপির কচাকাটা থানার প্রধান স্বমন্নয়ক গোলাপ উদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বশীলরা বক্তব্য রাখেন।

