দেশের বাজারে সোনার দামে একদিনেই দুই দফা বড় কমতি দেখা গেছে। আজ সকালে প্রথম দফায় প্রতি ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানো হয়। পরে বিকেলে আরও ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হলে মোট কমে ১২ হাজার ১৪ টাকা।
দাম কমার পর ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বিকেল তিনটার পর দ্বিতীয় দফা মূল্য হালনাগাদের ঘোষণা দেয়, যা বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যাতেও ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। সর্বশেষ ঘোষণায় ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দামও ভরিপ্রতি কমেছে। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন ২২ ক্যারেট সোনার ভরি দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়।
করোনার পর গত পাঁচ বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২৩ সালের ২১ জুলাই দেশে প্রথমবারের মতো প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ টাকা অতিক্রম করে। পরে ধাপে ধাপে তা দেড় লাখ, দুই লাখ এবং সম্প্রতি আড়াই লাখ টাকার মাইলফলক ছাড়ায়।
আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম উঁচু অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার মূল্য প্রায় ৪ হাজার ৭০৩ ডলার। বিভিন্ন পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ২০২৬ সালে এই দাম আরও বাড়তে পারে। লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের জরিপ অনুযায়ী, আগামী বছরে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৭ হাজার ১৫০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে। অন্যদিকে বিশ্লেষক রস নরম্যানের পূর্বাভাস, চলতি বছরেই দাম ৬ হাজার ৪০০ ডলার ছুঁতে পারে।

