ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারণায় একে অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো বা গীবত করার প্রয়োজন নেই। ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়া এবং দেশের জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলাই রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটে ব্যবসায়ী ও ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, “বাবারা, ভোট চাও, নির্বাচন করো। দেশের জন্য আগামী দিনে কী করবে, সেটা জনগণকে বলো। অন্যের গীবত গেয়ে সময় নষ্ট করার এবং গুনাহ করার কোনো দরকার নেই।”
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন আদায়ের জন্য বিএনপিকে গত ১৭ বছর ধরে নানা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, “এই দীর্ঘ সময়ে বহু নেতাকর্মী কারাবরণ করেছেন। আমাদের দেশনেত্রী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমি মনে করি, তার সঙ্গে স্লো পয়জনিং হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।”
বিএনপির এই নেতা বলেন, বহু ত্যাগ ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তাই আগামী ১২ তারিখ সবাইকে একযোগে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। একই সঙ্গে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিকল্পনা চলছে বলেও দাবি করেন মির্জা আব্বাস।
ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, “বর্তমান সরকারের ভেতরে কিছু লোক এখনো আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। তারা চায় নির্বাচন না হোক, আর যদি নির্বাচন হয়ও, বিএনপি যেন জিততে না পারে।”
বিদেশে অবস্থান করে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বিদেশে বসে বসে বিএনপিকে ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে। সাহস থাকলে দেশে আসো। আবার তাদেরই সন্তানরা এখন ঢাকায় বসে নানা কথা বলছে।”
শেষে তিনি বলেন, “বাবারা, নির্বাচন করো, ভোট চাও। দেশের জন্য কী করবে, সেটা জনগণকে বলো। গীবত করার কোনো দরকার নাই।”

