মোঃ মনির হোসেন সোহেল,চাটখিল প্রতিনিধিঃ
চাটখিল পৌরসভা যুবদল কর্মী এরশাদ উল্যা নাঈমকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পৌরসভায় অবস্থিত “চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবে” ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট আবু হানিফ স্বাক্ষরিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাহাজাহান রানা।
সাহাজাহান রানা লিখিত বক্তব্য পাঠ করে ও অভিযোগ করে বলেন, গত তিনদিন আগে জামায়াতে ইসলামী পরিচয়ে বোরকা পরিহিত নারীরা হাজী বাড়িতে প্রবেশ করেন। আইডি কার্ড ও নাম্বার সংগ্রহের চেষ্টা করলে, যুবদল নেতা নাঈম বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে ও বাক-বিতন্ডা হয়। গতকাল বিকেলে নাঈমের নতুন ভাড়া বাসায় তার পরিবারকে রেখে বিএনপির মিছিলে অংশ গ্রহণ করতে বাসা থেকে বের হন। নাঈমের অনুপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন বোরকা পরিহিত নারী নাঈমের বাসায় প্রবেশ করেন। একজন নাঈমের স্ত্রী সাথে আলাপ করছিল, একজন বাথরুম ব্যবহার ও অন্য জন বাসার বিতরে প্রবেশ করেন। ঐ দিন রাতে নাঈম বাসায় ফিরলে গভীর রাত ২.৩০ মিনিটে তার বাসায় তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী। বাসার কোথাও কিছু না পায়ে বাথরুমের ভেন্টিলেটর থেকে দুটি বুলেট পায়, সে অজুহাতে নাঈমকে গ্রেফতার করা হয়।
সাহাজাহান রানা লিখিত অভিযোগে আরও বলেন, গত বছর রামনারায়নপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রুবেল কে লাকড়ি ঘরে পুরনো অস্ত্র রেখে প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে গ্রেফতার করা হয়। গত ২৫ জানুয়ারি পরকোট ইউনিয়নের বিএনপির নেতা হুমায়ুনের ঘর বোরকা পরে আনুমানিক ৩ টায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া অভিযোগ করেন।
আমরা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আশ্বস্ত করতে চাই, ১২ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পর, বর্তমানে যদি অন্তবর্তী সরকারের প্রশাসনের দ্বারা আমাদের নেতা কর্মীরা হয়রানির শিকার হয়, তাহলে জনগণে ক্ষোভের সৃষ্টি হবে।
আমরা আশা করবো প্রশাসন কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিকে জনগণের নিকট হেয় ও প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবেন না। আমরা প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই।

