অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্স পর্বে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে ছিল বাঁচা–মরার সমীকরণ। মাত্র এক জয় নিয়ে এই পর্বে ওঠা যুবা টাইগারদের সামনে সেমিফাইনালে যেতে হলে দুই ম্যাচেই জয়ের বিকল্প নেই। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ পর্বের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় চাপে পড়ল বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাঁচা–মরার ম্যাচে মাত্র ১৩৬ রানে অলআউট হয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের শুরুটা ছিল একেবারেই হতাশাজনক। প্রথম ওভারেই মাত্র ৩ বলে ৬ রান করে আউট হয়ে যান ওপেনার জাওয়াদ আরবার। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল।
প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন ওপেনার রিফাত বেগ ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। দুজন মিলে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও বড় জুটি গড়তে পারেননি। এই দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ, যা ইনিংসের গতিপথ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের পক্ষে নিয়ে যায়।
মাঝের ও শেষের দিকে কেউই দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস টানতে পারেননি। একের পর এক ব্যাটার ফিরে যেতে থাকায় নির্ধারিত ওভার পূর্ণ হওয়ার আগেই ৩৮ ওভার ১ বলে ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায় যুবা টাইগাররা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন ওপেনার রিফাত বেগ। উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ করেন ২৫ রান এবং অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। এ ছাড়া অন্য কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে ব্যর্থ হন।
ইংল্যান্ডের বোলাররা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ও ধারাবাহিক বোলিং করে বাংলাদেশকে চাপে রাখেন। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন সেবাস্টিয়ান মরগান। এছাড়া রালফি অ্যালবার্ট ও ম্যানি লুমসডেন ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
এখন স্বল্প রানের এই পুঁজি নিয়ে বোলারদের ওপরই ভরসা করতে হবে বাংলাদেশকে। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে ইংল্যান্ডকে দ্রুত চাপে ফেলে ম্যাচে ফিরতে হবে যুবা টাইগারদের।

